বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতী সন্তান ও বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে আনন্দমিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আনন্দমিছিলটি রাণীশংকৈল পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
এ সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। মিছিলজুড়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
আনন্দমিছিলে উপজেলা বিএনপির, পৌর বিএনপির, উপজেলা যুবদল ও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনৈতিক ইতিহাসে যুক্ত হলো এক নতুন অধ্যায়। দীর্ঘ কয়েক দশকের রাজনৈতিক পথচলায় তিনি স্থানীয় রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন।
১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতি বিষয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ১৯৮৮ সালের ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
পরবর্তী সময়ে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধীরে ধীরে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেন।১৯৯২ সালে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে জাতীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০০৯ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং ২০১১ সালে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘ সময় দলটির নেতৃত্ব দেন।
তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়া। ছাত্রজীবনেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি কারাবরণ করেছিলেন। পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে যেতে হয়েছে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব থাকা অবস্থায় জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলাতেও তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
এই দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় মির্জা ফখরুলের পরিচয় কেবল একজন দলীয় নেতা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি; তিনি বিএনপির নীতিনির্ধারণ, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে তৃণমূল পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতির আসনে অধিষ্ঠিত হওয়াকে তার সমর্থকেরা দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের পরিণতি হিসেবে দেখছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ফখরুলের এই নির্বাচিত হওয়া ঠাকুরগাঁওবাসীর জন্যও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ জেলার মাটি থেকে উঠে আসা একজন রাজনীতিকের রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন হওয়া স্থানীয় মানুষের কাছে গর্ব ও আবেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।
রাণীশংকৈলের আনন্দমিছিল ও মিষ্টি বিতরণের মধ্য দিয়ে সেই উচ্ছ্বাসই প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ ও অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়াকে তারা দেখছেন।
তাদের প্রত্যাশা, রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থেকে তিনি সংবিধান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় স্বার্থের প্রতি সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আনন্দমিছিলটি রাণীশংকৈল পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
এ সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। মিছিলজুড়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
আনন্দমিছিলে উপজেলা বিএনপির, পৌর বিএনপির, উপজেলা যুবদল ও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনৈতিক ইতিহাসে যুক্ত হলো এক নতুন অধ্যায়। দীর্ঘ কয়েক দশকের রাজনৈতিক পথচলায় তিনি স্থানীয় রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন।
১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতি বিষয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ১৯৮৮ সালের ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
পরবর্তী সময়ে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধীরে ধীরে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেন।১৯৯২ সালে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে জাতীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০০৯ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং ২০১১ সালে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘ সময় দলটির নেতৃত্ব দেন।
তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়া। ছাত্রজীবনেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি কারাবরণ করেছিলেন। পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে যেতে হয়েছে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব থাকা অবস্থায় জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলাতেও তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
এই দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় মির্জা ফখরুলের পরিচয় কেবল একজন দলীয় নেতা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি; তিনি বিএনপির নীতিনির্ধারণ, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে তৃণমূল পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতির আসনে অধিষ্ঠিত হওয়াকে তার সমর্থকেরা দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের পরিণতি হিসেবে দেখছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ফখরুলের এই নির্বাচিত হওয়া ঠাকুরগাঁওবাসীর জন্যও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ জেলার মাটি থেকে উঠে আসা একজন রাজনীতিকের রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন হওয়া স্থানীয় মানুষের কাছে গর্ব ও আবেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।
রাণীশংকৈলের আনন্দমিছিল ও মিষ্টি বিতরণের মধ্য দিয়ে সেই উচ্ছ্বাসই প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ ও অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়াকে তারা দেখছেন।
তাদের প্রত্যাশা, রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থেকে তিনি সংবিধান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় স্বার্থের প্রতি সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি